1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsiam4@gmail.com : Saimum Siam : Saimum Siam
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বাড়িতে বসে অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশের জাল ভিসা দিয়ে প্রতারণা করে আকাশ আরো ৫ হাজার জনবলসহ নিজস্ব ভবন চায় পিবিআই পটুয়াখালীতে এক দিনে বজ্রপাতে ৪ জনের মৃত্যু দুই মাসের মধ্যেই ‘আওয়ামী স্টাইলে’ দেশ পরিচালনার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে: জামায়াত এমপি নতুন ভোটার নিবন্ধনে এসএসসি সনদ বাধ্যতামূলক: ইসির নির্দেশনা সৈয়দপুরে মায়ের সুস্থতার দোয়া চেয়ে দানবাক্সে স্বর্ণ ও টাকা রেখে সন্তানের আবেগঘন চিরকুট বিএনপি কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের দল হয়? প্রশ্ন জামায়াত নেতা আজহারের জকসু নেতাকে থাপ্পড় মারলেন ছাত্রদল নেত্রী ১৮ লাখ ইরানি রিয়ালে মিলছে মাত্র এক ডলার হাম প্রতিরোধে বাংলাদেশকে অর্থ সহায়তা দিচ্ছে ইইউ

‘মুক্তিযোদ্ধারা’ যাদের বিরুদ্ধে লড়েছেন সেই তালিকা থেকে জামায়াতের নাম বাদ দেয়ার দাবি

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৫ জন দেখেছেন

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন-২০২২ সংশোধন করার সময় ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’র সংজ্ঞা থেকে বিরোধী শক্তি হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নাম বাদ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

 

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন। বিলটির ওপর আলোচনাকালে শফিকুর রহমান এই দাবি জানান।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন-২০২২-এর বিদ্যমান সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ‘যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার লক্ষ্যে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় সহযোগী—রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস, তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম এবং দালাল ও শান্তি কমিটির বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন—এমন সব বেসামরিক নাগরিক, যাদের বয়স ওই সময়ে সরকার নির্ধারিত সর্বনিম্ন সীমার মধ্যে ছিল; তারা ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন।’

এই সংজ্ঞা নিয়ে আপত্তি তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলামের নাম স্বাধীনতার পরে তখনকার শাসকও আনেন নাই। মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও আনেন নাই। তিনবারের অতি সম্মানীয় প্রধানমন্ত্রী (খালেদা জিয়া) তিনিও আনেন নাই। এ জিনিসটা সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করেছে ফ্যাসিস্টের বিকৃত একজন প্রতিভূ শেখ হাসিনা এবং পরবর্তী পর্যায়ে অন্তর্বর্তী সরকার তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছে সামান্য পরিবর্তনসহ।’

তিনি আরও বলেন, ‘কী আছে এখানে? তৎকালীন তিনটা সংগঠনের নাম নেওয়া হয়েছে—তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম পার্টি। পাক সেনাবাহিনীর সাথে আরও কিছু অক্সিলারি ফোর্সের সাথে তিনটা রাজনৈতিক দলের নাম এসেছে এবং বর্তমান উপস্থাপনায় বা প্রস্তাবনায় তৎকালীন এই তিন সংগঠনের কথা বলা হয়েছে। আল্লাহ ভালো জানেন, একাত্তরের ওই চরম সময়ে কার কী ভূমিকা ছিল, আল্লাহ তাআলা তার নিখুঁত ও পূর্ণাঙ্গ একমাত্র সাক্ষী। আমরা যারা আছি তারা আংশিক সাক্ষী। আমরা চাই প্রিয় বাংলাদেশ রাজনীতির সুস্থ ধারায় জনগণের প্রতি দায় এবং দরদ নিয়ে দেশের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে এই দেশের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক সংগঠন তার কার্যক্রম পরিচালনা করুক।’

বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান, এই বিলের বিষয়ে এনসিপি কোনো আপত্তি জানায়নি এবং তারা লিখিতভাবে তাদের মতামত জানিয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )