পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বয়স্কভাতা, বিধবাভাতাসহ সকল সেবা মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে হবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনকে কঠোর ভূমিকা রাখতে হবে। ‘গ্রাম হবে শহর’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। উন্নয়নের গতি অব্যাহত থাকলে এশিয়ার সেরা দেশ হবে বাংলাদেশ। তাই যার যার অবস্থান থেকে সততার সঙ্গে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কনফারেন্স রুমে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপমন্ত্রী শামীম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর সততা ও মেধা দিয়ে বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছেন। আর বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সততা, প্রজ্ঞা, মেধা এবং রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দিয়ে এমন এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছেন যে, শুধু বাংলাদেশ নয়-আন্তর্জাতিক মহল তার প্রতি খুবই শ্রদ্ধাশীল। তাই আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সরকারের সকল সেবার মান বৃদ্ধি করে মানুষের দ্বারপ্রান্তে সেবার মান নিশ্চিত করতে হবে। ইতিমধ্যেই নড়িয়ায় নদী ভাঙন আর নেই, সেখানে পর্যটন এলাকায় রূপ নিয়েছে। জয়বাংলা এভিনিউ হয়েছে। সখিপুরে সোনার বাংলা এভিনিউ, জাজিরায় রূপসী বাংলা ও শরীয়তপুরে কীর্তিনাশার ভাঙনরোধেও কাজ চলছে। এছাড়াও অন্যান্য এলাকার নদী ভাঙনে সমস্যা নিরসনেও কাজ করছি আমরা। শরীয়তপুরের পণ্যও এখন ইউরোপে রপ্তানি হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বদৌলতে এসব সম্ভব হচ্ছে।
এনামুল হক শামীম বলেন, সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজ ও অপপ্রচার প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কোনো দিন কোনো অন্যায়ের সাথে আপস করে না। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নাই, যেই অপরাধ করবে তার বিরুদ্ধেই কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এতে কাউকেই ছাড় দেয়া যাবে না। দেশের সুষ্ঠ পরিবেশ বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে৷ অন্যায়কারী ও অন্যায়কারীকে প্রশ্রয়দাতাদের কোনো ছাড় নেই। এব্যাপারে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনসহ সকলের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন আহাম্মেদের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক। বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদার, পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুল আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে প্রমূখ। এসময় জেলার বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।