লক্ষ্মীপুরের রামগতি থানার চরআলগী ইউনিয়নের চরনেয়ামত গ্রামের স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলার মূলহোতা সাগরসহ চার আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) মামলার আসামি মো. সাগরকে রামগতি থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে এবং অপর ৩ আসামি মো. মাহফুজ, মো. রনি ও মো. শামীমকে রামগতি সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভিক্টোরিয়া চাকমার আদালতে জামিন আবেদন করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠান।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঐ ছাত্রী প্রতিদিনের মতো গত ১০ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে আটটায় বাড়ি থেকে স্কুলের দিকে রওয়ানা হয়ে স্থানীয় মনু হাওলাদার বাড়ির সামনে আসলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা আসামিরা তাকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ওই দিনেই মুনিয়ার বাবা মো. মুনির উদ্দীন রামগতি থানায় এজাহার দায়ের করেন।
আসামিরা হলেন, রামগতি উপজেলার চরসেকান্তর গ্রামের মো. রাজু (২৪), মো. সাগর, মাহফুজ (১৯), মো. শামীম (২০), মো. শরীফ (২০) ও চরনেয়ামত গ্রামের মো. রনি (১৯)।
অপহরণের তিন দিন পর পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে এবং নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ২২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট ভিকটিমের জবানবন্দি নিয়ে তার বাবার জিম্মায় হস্তান্তর করে।
মামলার বাদী মো. মনির উদ্দীন জানান, অপহরণের দশ দিন পর আসামি সাগরকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। অপর তিন আসামির জামিন নামঞ্জর করে বিচারক তাদেরকে জেলহাজতে পাঠান।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই দেলোয়ার হোসেন জানান, ছয় আসামির মধ্যে সাগরকে রামগতি থানার হাজিগঞ্জ এলাকা থেকে আজ সকাল সাড়ে ৯টায় গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। বাকি ৩ আসামি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে জামিন নামঞ্জুর করে আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।