1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsiam4@gmail.com : Saimum Siam : Saimum Siam
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হাড়িয়ারকুঠির জলুবর থেকে ১৪ বছরের মাদ্রাসাছাত্রী নিখোঁজ, শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারাগঞ্জে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত তারাগঞ্জে মাদকবিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন সৈয়দপুর শ্রমজীবী মানুষকে অতিথি করে ব্যতিক্রমী আয়োজন, প্রশংসায় শাহাদাত হোসেন সোহাগ আবুল কাশেম পল্লবের গ্রেফতারে সিলেট-বালাগঞ্জ আওয়ামী লীগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ঢাকায় গ্রেফতার বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব বালাগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতার পরিবারের পাশে সাবেক ছাত্রনেতা আমিনুল ইসলাম মুরাদ আব্দুল কাইয়ূমকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ নেতাদের নিন্দা, নিঃশর্ত মুক্তির দাবি তারাগঞ্জে জাল ভিসা প্রতারণার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

মোখার তাণ্ডবের পর ক্ষতিগ্রস্তদের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: সোমবার, ১৫ মে, ২০২৩
  • ১১২ জন দেখেছেন

ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডবের পর কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকাগুলো স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর, রাস্তাঘাট মেরামত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু হয়েছে। ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোখার তাণ্ডবের পর রবিবার রাতেই আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরে গেছেন দুর্গত মানুষ। ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। বিশেষ করে কক্সবাজারের টেকনাফ ও সেন্ট মাটিন দ্বীপ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা বাড়িঘর হারিয়ে নিঃস্ব। বাড়িঘর মেরামতের মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা তাদের। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পও। তবে ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারিভাবে এখনও কোনো সহায়তা পাননি।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্যমতে, কক্সবাজার জেলায় ১০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৮ হাজার আংশিক ও ২ হাজার সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। শুধু সেন্টমার্টিনেই ১২ শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতি হয়েছে। উপড়ে পড়েছে বহু গাছপালা। একইভাবে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫ হাজার ঘরবাড়ি। তবে হতাহত হয়নি কেউ।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিভীষণ কান্তি দাশ জানান, ঘূর্ণিঝড়ের মহাবিপদ সংকেত কেটে যাওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরে গেছেন দুর্গত এলাকার মানুষ। ঘূর্ণিঝড়ে যে-সব বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের সরকারিভাবে সহায়তা করা হবে।

কক্সবাজার শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।  ২৭৮টি শেল্টার, ৩২টি লার্নিং সেন্টার, একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্ৰ, ২৯টি মসজিদ/মক্তব ও ১২০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুই হাজার ৫৪৮টি শেল্টার আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১ হাজার ৬১১ জন রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত  হয়েছেন। ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন ৫ হাজার ৩৮৬ জন রোহিঙ্গাকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )