রাজাকার ও পাকিস্তানের সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি ঘৃণা জানাতে ‘ছবিতে জুতা নিক্ষেপ’ কর্মসূচি পালন করেছেন একদল শিক্ষার্থী।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণের বাইরে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।
সেখানে সড়কের পাশে একটি বাসের সঙ্গে ব্যানার টানানো ছিল, যেখানে একাত্তরের গণহত্যায় জড়িতদের ছবি ছিল। পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের ছবিও ছিল তাতে।
রিকশাচালক, পথচারীসহ অনেককে ছবিতে জুতা নিক্ষেপ করতে দেখা যায়।
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর প্রতি ক্ষোভের বিষয়ে একজন বলেন, “ইয়াহিয়া থেকে মুনির (বর্তমান সেনাপ্রধান), মাঝে যত সেনাপ্রধান এসেছেন, প্রত্যেকে একই কাজ করেছেন। তারা একাত্তরের ঘাতক সামরিক কর্মকর্তাদের আড়াল করেছেন, বিচার ঠেকিয়েছেন, দায়মুক্তি নিশ্চিত করেছেন। এটা ব্যক্তিগত নৈতিক স্খলন নয়, এটা পাকিস্তানি সামরিক প্রতিষ্ঠানের রাষ্ট্রীয় নীতি।”
তিনি বলেন, “জামায়াতের প্রসঙ্গটাও এখানে এড়ানোর নয়। একাত্তরে যারা পাকিস্তানি বাহিনীর হয়ে বাংলাদেশের মানুষ মেরেছিল, তাদের দলের উত্তরসূরিরা আজও সেই গণহত্যার সংখ্যা নিয়ে তর্ক তোলে, ইতিহাস নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করে। এটা রাজনৈতিক মতভেদ নয়, এটা অপরাধের ধারাবাহিকতা।”
কর্মসূচিতে একাত্মতা জানানো আরেক ব্যক্তি বলেন, “জুতা নিক্ষেপের এই কর্মসূচি শুধু দুটো মুখকে অপমান করার জন্য নয়। এটা সমগ্র পাকিস্তানের সেই কাঠামোর বিরুদ্ধে, যে কাঠামো পঞ্চাশ বছর ধরে শহীদের রক্তকে হিসাবের বাইরে রেখে দিয়েছে।”