বরগুনার বেতাগী উপজেলায় পৌরসভা সংলগ্ন মাঠে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা, পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন পর একত্রিত হয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন এবং পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাবেক পৌরমেয়র আলহাজ্ব এবিএম গোলাম কবির উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে বেতাগী উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
এছাড়াও বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান ফোরকান এবং বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌশিকুর রহমান ইমরান নেতাকর্মীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল কবির রেজা তার বক্তব্যে বলেন,
আমাদের প্রকৃত আনন্দ এবং পূর্ণতার ঈদ হবে সেই দিন, যখন আমরা আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানের সঙ্গে দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হব। শেখ হাসিনার দেশে সসম্মানে প্রত্যাবর্তনই হবে আমাদের আনন্দ, আমাদের সংগ্রাম এবং আমাদের ছাত্রলীগের ঐক্যের মূল লক্ষ্য। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ও ত্যাগের ফলেই স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, আর তাঁরই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়ন ও অগ্রগতির এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এই নেতৃত্বকে শক্তিশালী করা এবং দেশের কল্যাণে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখা।

বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের ঈদ পূর্নমিলনী অনুষ্ঠান
তিনি আরও বলেন,
ছাত্রলীগ কেবল একটি সংগঠন নয়, এটি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া এক ইতিহাস, এক চেতনা। দেশের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে ছাত্রলীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানের সঙ্গে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করব, যাতে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে উঠতে পারে।
রেজাউল কবির রেজা তার বক্তব্যে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আরও বলেন, ছাত্রলীগের প্রতিটি সদস্যকে ভ্রাতৃত্ববোধ, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সংগঠনের শক্তি হচ্ছে ঐক্য, এবং এই ঐক্যের মধ্য দিয়েই দেশের কল্যাণে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখা সম্ভব।
অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়, মতবিনিময় ও আনন্দ ভাগাভাগি করেন। এই মিলনমেলা কেবল ঈদের আনন্দ উদযাপন নয়, বরং শেখ হাসিনাকে দেশে সসম্মানে ফিরিয়ে আনার সংকল্প এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্দীপনা ও প্রত্যয়ের বার্তা বহন করে।