স্টাফ রিপোর্টার: যাদের জন্ম সন্ত্রাস আর পিছনের দরজা দিয়ে তারা কথায় কথায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হুমকি ধামকি দেখায়, ভয় দেখায়। কিন্তু বিএনপির হুমকিতে আওয়ামী লীগের কর্মীরা ভয় পায় না। আওয়ামী লীগের কর্মীরা আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যদিয়ে জন্ম নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচন সামনে এলেই বিএনপি সন্ত্রাসী কর্মকান্ড শুরু করে দেয়, তারা ২০১৪ সালের বাসে আগুন দিয়েছে, ট্রেনে আগুন দিয়েছে। তারা আবারো আগুন সন্ত্রাসী করতে চায়। তারা দেশের মানুষের বিরুদ্ধে এরকম অশনিসংকেতের কথা বলে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সবসময় প্রস্তুত রয়েছে তাদের অশনিসংকেতের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে। এসময় তিনি আওয়ামী লীগের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে এ কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা সুজিত রায় নন্দী বলেন, উন্নয়নের দেশকে বিএনপি অন্ধকারে নিয়ে যেতে চায়, এজন্য দেশে ও বিদেশে গভীর ষড়যন্ত্র শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী আর দেশের জনগণ তা আর করতে দেবে না। দেশের মানুষ উন্নয়নের রূপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনায় আস্থা রেখেছে, আগামীদিনেও আস্থা রাখতে চায়। এই উন্নয়নের পথে নিয়ে যাওয়া ডিজিটাল দেশকে যিনি স্মার্ট দেশ গঠন করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন, ঠিক তখনই জামায়াত বিএনপি ষড়যন্ত্র শুরু করে। অথচ যিনি দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তিনি গোটা বিশ্বকে নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা রাখে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের রোল মডেল বানিয়ে ইতিমধ্যে সেই যোগ্যতা দেখিয়েছেন সারা বিশ্বকে।
রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের কর্মী সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, মহানগর আওয়ামী লীগের আহবায়ক ডা. দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাশেম। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় ছাত্র লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল আলীম খান, সহ-সম্পাদক মোনালিসা-সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ কর্মী সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২০ জুলাই শফিউর রহমান স্বাধীনকে সভাপতি ও শেখ আসিফ হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। এরপর ২০১৬ সালের ৩০ মে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। সাত বছর পর এই মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি গত ৪ জুলাই বিলুপ্ত করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।