দলীয় সূত্রে জানা যায়, নাটোর- ৪ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিট পেতে ১৭ প্রার্থী মনোনয়ন উত্তোলন করেছেন। মনোনয়ন উত্তোলনকারী অনেক আওয়ামী লীগ নেতাকেই চেনেন না সাধারণ কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের এই আসনটি ধরে রাখতে সদ্য প্রয়াত সংসদ সদস্য বীরমুক্তি যোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে কোহেলী কুদ্দুস মুক্তিকে একক মনোনীত প্রার্থী করার সুপারিশ করেছে গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগ।
দুই উপজেলা আওয়ামী লীগের সুপারিশ সঠিক বলে মত দিয়েছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও।
সম্প্রতি বড়াইগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মিয়াজী ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান এবং গুরুদাসপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আনিসুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মতিনের স্বাক্ষরিত দুটি চিঠি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগকে পাঠানো হয়েছে।
কেন্দ্রে পাঠানো উভয় চিঠিতে বলা হয়েছে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সব নেতৃবৃন্দ, সব ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পরামর্শ যে, আসন্ন জাতীয় সংসদের উপ-নির্বাচনে কোহেলী কুদ্দুস মুক্তিকে মনোনয়ন দিলে নিশ্চিত জয়লাভ করা সম্ভব।
জানা গেছে, গত ৩০ আগস্ট এই আসন থেকে ৫ বারের সংসদ সদস্য আব্দুল কুদ্দুস মারা যান। জাতীয় সংসদ থেকে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হলে উপনির্বাচন তফশিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আগামী ১১ অক্টোবর আসনটির উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর এই আসনের নৌকা প্রতীকে ভোট করতে ইতিমধ্যে ১৭ জন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেছেন।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রামকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি করতে প্রয়াত সংসদ সদস্য আব্দুল কুদ্দুসের ভূমিকা অন্যতম। বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থাতেও আওয়ামী লীগের দুর্গ ভাঙতে পারেনি। আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত আসনটিতে অনেকে প্রার্থী হতে চাচ্ছেন; তবে তাদের আমরা সাধারণ কর্মীরা কখনো মাঠে দেখিনি।