নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘১৫ ও ২১ আগস্ট শহীদদের স্মরণে’ আলোচনা সভায় ধাওয়া এবং চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন। যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আলোচনা সভার বিশেষ অতিথি যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল তখনও এসে উপস্থিত হননি। জানা যায়, আলোচনা সভায় দক্ষিণ যুবলীগের নেতারা বক্তব্য রাখছিলেন। রাজধানীর মতিঝিলের ৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগের পৃথক দুইটি মিছিল একসঙ্গে মাঠে প্রবেশ করে। এ সময় হঠাৎ চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও হাতাহাতি শুরু হয়। যুবলীগের চেয়ারম্যানের নির্দেশে মহানগরের জ্যেষ্ঠ নেতারা মঞ্চ থেকে বারবার তাদের শান্ত থাকার অনুরোধ জানালেও তাতে কোনো কাজ হয়নি। প্রায় ১০ মিনিট পর জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
জানা গেছে, মতিঝিলের ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান উদ্দিন জামালের অনুসারীদের সঙ্গে একই ওয়ার্ডে যুবলীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি এবং সাবেক যুবদল নেতা নূর ইসলাম নূরুর অনুসারীদের মারামারি হয়।
মতিঝিলের যুবলীগ নেতা হানিফ জানান, গোপিবাগের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নাসিরের সন্ত্রাসী বাহিনী সদস্যরা, সাবেক যুবদলের নেতা এবং বহিস্কৃত যুবলীগের ওয়ার্ড সহ সভাপতি নুরু দীর্ঘ কয়েক বছর পর আজকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। বিনা উস্কানিতে জামালের লোকজনকে চেয়ার থেকে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তারা প্রতিরোধ করলে সভা থেকে পালিয়ে যায়।
নুরুকে মহানগরের একজন ভারপ্রাপ্ত শীর্ষ নেতা মদদ দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ তার।
এ প্রসঙ্গে নুরু গণমাধ্যমেকে জানান, আমাকে বহিষ্কার করা হলেও মহানগরের নেতাদের আশ্বাসে বহিষ্কার প্রত্যাহারে আমি কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন করি। সে কারনে জামালের লোকজন আমার কর্মীদের উপর হামলা করে।