৩০তম বিসিএস-এর মেধাবী কর্মকর্তা নাজিয়া সুলতানা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আজ সকালে ইন্তেকাল করেন। গত দুইদিন যাবত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বারডেম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন। তিনি আট মাসের অন্তস্বত্তা ছিলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এস. এম নাজিয়া সুলতানার (ডব্লিওটিও উইং) মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ
এ বছর বিশ্বে ডেঙ্গুর প্রকোপ রেকর্ড উচ্চতার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি এর জন্য অনেকাংশেই দায়ী, যা মশার বিস্তারের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করছে। খবর রয়টার্স। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গুর বিস্তার পুরো বিশ্বেই বাড়ছে। ২০০০ সালে যত মানুষ মশাবাহিত এই
রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে লিভার ক্যান্সার শনাক্ত করা সম্ভব। বিখ্যাত পিয়ার রিভিউড আন্তর্জাতিক জার্নাল নেচার কমিউনিকেশন্সে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে রাজধানীতে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। আজ ২৩ জুন রোববার রাজধানী ঢাকার হলিডে ইন-এ “সাধারণ রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে লিভার
কুড়িগ্রামে প্রতিদিনই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। জেলার ২৫০ শয্যায় জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন জ্বর নিয়ে আসা রোগীদের ডেঙ্গু শনাক্তে রক্ত পরীক্ষা করা হচ্ছে। ফলে শনাক্ত হচ্ছে নতুন নতুন রোগী। এ হার জেলার জেনারেল হাসপাতালসহ ৯ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসমুহেও ক্রমেই বাড়ছে। জেলা সিভিল সার্জন সূত্র জানায়, ৯ উপজেলার প্রত্যেকটি উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ডেঙ্গু
রাঙামাটিতে দ্রুত বাড়ছে ম্যালেরিয়া রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। একই সাথে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গুও। এরই মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৪৫ জন। আর ম্যালেরিয়াতে আক্রান্ত সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক হাজার ৮৫২ জনের। তাই উদ্বেগ উৎকণ্ঠা বেড়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগও। রাঙামাটির জেলা সদরে ম্যালেরিয়া রোগী তেমন
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি। তবে একই সময়ে আরও ২২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। দেশে এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃত্যু ২৯ হাজার ৪৬৭ জনে অপরিবর্তিত রয়েছে। এছাড়াও শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০
দিন দিন বাংলাদেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। পরিসংখ্যান বলছে, গত সাড়ে ছয় মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৫৫ জনের। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনোও বছরের প্রথম ছয় মাসে ডেঙ্গুর কারণে এতো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করার কারণ এই রোগের
এখন ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার বেশি হচ্ছে। এ রোগে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীরই রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা কমে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু জ্বর হলে সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। রক্তে প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকার স্বাভাবিক মাত্রা দেড় লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ। প্রায় ৯০ শতাংশ রোগীর প্লাটিলেট কমে যায়। এ ছাড়া নানা
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা গত ৫ বছরে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু এটি। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৩৩ জন। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক বলেছেন, স্বাস্থ্যখাতের প্রধানতম সমস্যা অব্যবস্থাপনা ও কেনাকাটায় দুর্নীতি। এই দুর্নীতি অবশ্যই বন্ধ করা সম্ভব। কিন্তু বর্তমানে স্বাস্থ্যখাতে প্রচলিত যে বিদ্যমান ব্যবস্থাপনা রয়েছে এই ব্যবস্থাপনার ভেতর দিয়ে সম্ভব নয়। এই ব্যবস্থাপনাতে পরিবর্তন আনতে হবে। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন জরুরি। বেসরকারি চিকিৎসা
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ১২৪৬ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত