1. abdullahalniat1952@gmail.com : Abdullah Al Niat : Abdullah Al Niat
  2. rangpursangbad@gmail.com : সংবাদ পোস্ট : সংবাদ পোস্ট
  3. aktutul350@gmail.com : Aktutul :
  4. saimumsadik1@gmail.com : Saimum Sadik : Saimum Sadik
  5. Sumonalilykhan@gmail.com : Sumona lily khan : Sumona lily khan
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম

বরিশালে কোরবানির পশুর চামড়ার দরপতন

সংবাদ পোস্ট
  • প্রকাশ কাল: শুক্রবার, ৩০ জুন, ২০২৩
  • ১১০ জন দেখেছেন

বরিশালে কোরবানির পশুর চামড়ার দরপতন হয়েছে। গতবারের চেয়ে ষাড়ের চামড়া প্রতি ২ থেকে ৩শ’ টাকা কমে বিক্রি হয়েছে। বিনামূল্যে দেয়ার পরও খাসির চামড়া নেয়নি কেউ। অন্যান্য বছর কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের জন্য মৌসুমি ব্যবসায়ীদের তৎপরতা থাকলেও এবার বরিশালের আড়তে আসা চামড়ার বেশির ভাগই বিভিন্ন মাদরাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের সংগৃহীত।

মাঠ পর্যায়ে চামড়া সংগ্রহকারী আসাদুল ইসলাম জানান, গত কয়েক বছর ধরে চামড়ার দর কমে যাওয়ায় এবার মাঠ পর্যায়ে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কোনো তৎপরতা ছিলো না। আগেভাগে যোগাযোগ পরের কথা, কোরবানীর পরও পশুর চামড়া সংগ্রহের তেমন আগ্রহ দেখা যায়নি কারোর। এ কারণে কোরবানির পশুর চামড়া সরাসরি মাদরাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ বোডিংয়ে দান করেন কোরবানি দাতারা।

চামড়া সংগ্রহকারী একটি মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা ফারুক হোসেন বলেন, আগে পাড়া মহল্লায় মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের তোড়জোড় ছিল। প্রতিযোগিতা থাকায় তখন চামড়ার ভালো দাম পাওয়া যেত। এখন চামড়ার দরপতনের কারণে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের তৎপরতা নেই। এ কারণে পশুর চামড়া অনেকেই মাদরাসায় দান করেছেন। তিনি আরও বলেন, এবার আড়ত দাররা চামড়া প্রতি ২০০ থেকে সাড়ে ৩০০ টাকার বেশি দিচ্ছেন না। চামড়া সংরক্ষণে নিজস্ব প্রযুক্তি না থাকায় আড়ত দাররা যে দাম বলছেন তাতেই চামড়া বিক্রি করছেন তারা।

আরেকটি মাদরাসার শিক্ষক চামড়া সংগ্রহকারী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, তারা শতাধিক চামড়া নিয়ে আড়তে গিয়ে হতাশ হয়েছেন। আড়তদাররা মধ্যম সাইজের একটি চামড়ার দাম বলছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। এই দরে চামড়া বিক্রি করে তাদের তেমন লাভ থাকছে না। তার মতে, গতবার যে চামড়া ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হযেছে এবার সেই দামড়ার দাম বলা হচ্ছে  ৩০০ থেকে ৪শ’ টাকা। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সবকিছুর দাম বাড়লেও চামড়ার দাম কমায় হতবাক তারা।

নগরীর পদ্মাবতী এলাকার চামড়া ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান বলেন, সরকার ট্যানারি মালিকদের লবণজাত চামড়ার দর নির্ধারণ করে দিয়েছে। স্থানীয়রা কাঁচা অর্থাৎ লবন ছাড়া চামড়া আড়াত নিয়ে আসছে। সেই চামড়া শ্রমিক খাটিয়ে লবণজাত করে ট্যানারিতে পাঠানোর উপযোগী করার কাজ চলছে। বরিশালে এবার প্রায় ১ লাখ পশুর চামড়া সংগৃহীত হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো খবর
Sangbadpost © All rights reserved 2026
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )